শুক্রবার, জুন 21, 2024
হোমপশ্চিমবঙ্গকলকাতানারদ মামলায় আদালতে হাজিরা দিলেন ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায়

নারদ মামলায় আদালতে হাজিরা দিলেন ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায়

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিনিধি, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, কলকাতা: নারদ মামলায় হাজিরা দিলেন পৌর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী। তবে এদিন নগর দায়রা আদালতে একজন আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে কোর্টে শুনানি হয়নি। আদালতের নির্দেশ মত এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সময়মত হাজির হন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পরে বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে কোর্টে হাজিরা দিতে আসেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। তবে এদিন কোর্টে হাজির হলেও শুনানি হয়নি।

- Advertisement -

নারদ মামলায় পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ জুন ধার্য্য করা হয়। যদিও এদিন মামলা নিয়ে কেউই মুখ খুললেন না। তবে আগেই সবটাই রাজনীতিক সড়যন্ত্র বলে জানিয়েছেন দুজনই। মামলার প্রায় ৭ বছর পরেও এমনটাই জানিয়ে ছিলেন নারদ মামলায় অভিযুক্তরা। আদালতের নির্দেশ মত মঙ্গলবার সকালে হাজিরার দিন ছিল। সেই মতোই এদিন ব্যাংকশাল কোর্টে পৌঁছে যান রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম আর একজন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। তবে অসুস্থ থাকার কারণে এদিন আদালতে হাজির হতে পারেননি কমরহাটির বিধায়ক মদন মিত্র।

উল্লেখ্য নারদ স্টিং অপারেশন মামলায় ২০২১ সালে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের। পরে তারা জামিনে ছাড়া পেলেও নির্দিষ্ট সময় অন্তর হাজিরা দিতে নির্দেশ দেয় নগর দায়রা আদালত। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাংবাদিক ম্যাথিউ স্যামুয়েল এর স্টিং অপারেশন রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। প্রকাশ্য ক্যামেরায় টাকা নিতে দেখা যায় বাংলার শাসক দলের একাধিক প্রথম সারির নেতাদের। তার মধ্যেই ছিলেন এই দুজন ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। আজকে তারা নগর দায়রা আদালতে হাজিরা দিলেও শুনানি না হাওয়ার কারণে পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ জুন ধার্য্য হয়েছে বলে জানা গেছে।

- Advertisement -
Sk Sahiluddin
Sk Sahiluddinhttps://www.tspbangla.com/profile/usksahil
Sk Sahiluddin is a seasoned journalist and media professional with a passion for delivering accurate and impactful news coverage to a global audience. As the Editor of TSP Bangla, he plays a pivotal role in shaping the editorial direction and ensuring the highest journalistic standards are upheld.
আরও পড়ুন
- Advertisment -

জনপ্রিয় খবর